হার্টের ক্ষতি করছে যে ১০টি বদভ্যাস

0

আমাদের অনেকের কমবেশি বিভিন্ন বদভ্যাস খাকে। যার ফলে প্রতিনিয়ত ক্ষয় হচ্ছে আমাদের হার্ট ।
১. ডায়েট সোডা
গরমকালে ডায়েট সোডা খাওয়া বেশ আরামদায়ক মনে হতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন সোডা পান হৃদযন্ত্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। হৃদরোগ না থাকলেও হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা সৃষ্টি হয় ডায়েট সোডার কারণে।
২. অতিরিক্ত টেলিভিশন
একাধারে বহু সময় টেলিভিশনের সামনে বসে থাকার কারণে হৃদযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দিনে চার ঘণ্টার বেশি টিভি দেখা স্ট্রোক ও হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে।
৩. অ্যালকোহলে আসক্তি
বিশেষজ্ঞদের মতে, রেড ওয়াইনে কিছু স্বাস্থ্য সুবিধা থাকলেও অতিরিক্ত খাওয়া হার্টের অবস্থা খারাপ করে দিতে পারে। অ্যালকোহল কখনোই হার্টের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনে না।

৪. খুব কম বা বেশি ঘুমানো
বিজ্ঞানীদের মতে, পাঁচ ঘণ্টার কম ও ৯ ঘণ্টার বেশি নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস গড়ে উঠলে তা হৃদরোগের কারণ হতে পারে।
৫. বিষণ্নতা
সবার জীবনেই দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ইত্যাদি আসে। কিন্তু খুব ঘন ঘন বিষণ্নতায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যহানি ঘটে।
৬. মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম
সামর্থ্যের চেয়ে বেশি ব্যায়াম হৃদ-স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এতে অবসাদ ভর করে। মূর্ছা যাওয়ার আশঙ্কাও দেখা দেয়। সীমার বাইরে গিয়ে কখনো শরীরচর্চা করতে নেই। বরং যতটুকু পারবেন, এর চেয়ে কিছুটা কম ব্যায়াম করবেন।
৭. মুখের স্বাস্থ্যবিধি
মুখে দুর্গন্ধ বা অন্যান্য সমস্যা নিয়মিত থাকলে হৃদযন্ত্রের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়তে পারে। মুখের ব্যাকটেরিয়া রক্তবাহী নালির মধ্য দিয়ে চলাচল করে। এগুলো নালিতে জমে চলার পথ সরু করে দেয়। ফলে রক্তপ্রবাহে সমস্যার সৃষ্টি হয়, যা হৃদযন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর।
৮. নাক ডাকা
বিরক্তিকর তো বটেই, এটা নিদ্রাহীনতার লক্ষ্মণও বটে। যারা ঘুমানোর সময় নাক ডাকে, তারা মূলত বিরতি দিয়ে দিয়ে নিঃশ্বাস নেয়। এতে যন্ত্রটি সুষ্ঠুভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে না এবং উচ্চ রক্তচাপের সৃষ্টি হয়।
৯. ধূমপান
এর কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। ধূমপায়ীদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
১০. বেশি খাওয়া
হৃদযন্ত্রের দুরবস্থার অন্যতম কারণ হতে পারে স্থূলতা। এ ছাড়া বেশি পরিমাণে খাওয়া, কোলেসটেরল ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে না চলার কারণে হৃদযন্ত্র অসুস্থ হয়ে পড়ে।