দু-দশ টাকার এই টোটকায় কিডনি/গল ব্লাডার স্টোন/ওভারির সিস্ট থেকে মুক্তি দেবে

0

শরীরের নানা সমস্যার সমাধানে আদার উপকারিতা অপরিসীম। তবে আদা শুধু খেয়ে নয়, এর সেঁকও দারুণ কার্যকরী। নানা ব্যাধির উপশমে ম্যাজিকের মত কাজ করে এই আদার সেঁক। রক্ত সরবরাহের উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি পিঠে ব্যাথা, আর্থারাইটিস, পেশি ফুলে যাওয়া কমানো ও কিডনি/গল ব্লাডারে স্টোন এবং গর্ভাশয়ের সিস্ট ও ফাইব্রয়েড গলিয়ে ফেলতে বিশেষ উপকারী এই আদার সেঁক।

গরম আদার জলে ভেজানো কাপড় দিয়ে আদার সেঁক দিতে হয়। কী করতে হবে?

যা যা লাগবে:

১) ১২০ গ্রাম তাজা আদা বা এক টেবল চামচ আদার পাউডার

২) জল

৩) একটি বড় পাত্র

৪) একটি টাওয়েল

৫) ২টো কাপড়

৬) একটি সুতির কাপড়ের ব্যাগ

৭) রবারের গ্লাভস

কীভাবে তৈরি করবেন?

জলটা গরম করুন, তবে খেয়াল রাখবেন যেন সেটি ফুটে না যায়। এ বার সুতির কাপড়ের ব্যাগটিতে আদাটা ভরে ব্যাগটি গরম জলে দিয়ে দিন। এভাবে ৩-৪ মিনিট সিমে রেখে গ্যাস বন্ধ করে দিন। এ বার হাতে গ্লাভস পরে ব্যাগটি জল থেকে বের করে আনুন আর হাত দিয়ে চেপে চেপে রসটা বের করুন। আপনার আদার জল তৈরি।

কীভাবে সেঁক দেবেন?

এই চিকিত্‍‌সার জন্য আপনার সময় লাগবে ৩০ মিনিট। একটি টাওয়েল গরম আদার জলে চোবান। এরপর সেটি তুলে চিপে নিয়ে শরীরের যে অংশ সমস্যা, তার উপর তোয়ালেটি রাখুন। একইভাবে আর একটি তোয়ালেও ভিজিয়ে নিয়ে চিপে প্রথম তোয়ালের উপরে রাখুন। জলটি এই সময় ঢেকে রাখুন, যাতে সেটি ঠাণ্ডা না-হয়ে যায়। এ বার একটি বড় তোয়ালে দিয়ে পুরোটা ঢেকে দিন। জলটি যেন খুব গরম না-থাকে, সেটি খেয়াল রাখবেন। তাহলে আপনার ত্বক পুড়ে যেতে পারে।

আদা কমপ্রেস করুন ৩-৫ মিনিট। এ ভাবে আরও কয়েকবার কমপ্রেস করুন। তোয়ালে পাল্টানোর সময় ত্বক যেন ঠাণ্ডা হয়ে না-যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এভাবে টানা ২০-৩০ মিনিট সেঁক দিন। ত্বক কিছুক্ষণের জন্য লাল হয়ে গেলেও তাতে ঘাবড়াবেন না। একদিন অন্তর এই সেঁক দিয়ে যান যতদিন না-পর্যন্ত পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হচ্ছে।

আপনার গর্ভাশয়ে সিস্ট থাকলে প্রতিদিন একবার করে আদার সেঁক দিন অন্তত ১৪ দিন।