জ্বর সর্দি-কাশির লক্ষণসমূহ ও চিকিৎসা

0

জ্বর সর্দি-কাশির লক্ষণসমূহ ও চিকিৎসা
জ্বর সর্দি-কাশির লক্ষণসমূহ ও চিকিৎসা
॥ তানিয়া নাজনীন ॥  জ্বর-সর্দি-কাশি এখন একটি কমন সমস্যা। বাচ্চারা তো বটেই, বড়রাও আক্রান্ত হন যখন তখন। নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া, ঘন ঘন হাঁচি, কাশি, গলা ব্যথাসহ উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর বর্তমান সময়ের কয়েকটি সমস্যা।

লক্ষণসমূহ
=) প্রথম দিকে নাক দিয়ে পানি পড়তে থাকে।
=) প্রচ- কাশি, সেই সঙ্গে গলাব্যথা।
=) জ্বরের তাপমাত্রা প্রথমে কম থাকলেও পরে তা ক্রমশ বাড়তে থাকে।
=) এ জ্বরে তাপমাত্রা ১০২ থেকে ১০৬ ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে।
=) শিশুদের ক্ষেত্রে ১০৪ কিংবা ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে।
=) সাধারণত প্যারাসিটামল দিয়ে জ্বর কিছুক্ষণের জন্য নামলেও তা স্থায়ী হয় না।
=) জ্বর ১০২ ফারেনহাইটের ওপরে উঠলে তা প্যারাসিটামল কিংবা মাথায় পানি ঢেলেও কমানো সম্ভব হয় না।
=) জ্বর একটানা ৭ দিনও স্থায়ী হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫ দিনেই সেরে যেতে পারে।
=) হাতে-পায়ে ব্যথা থাকতে পারে।
=) শরীর দুর্বল, খবারে অরুচি লাগতে পারে।

চিকিৎসা ও করণীয়
=) প্রথম দিকে প্যারাসিটামল দিয়ে জ্বর কমানোর চেষ্টা করতে হবে।
=) শিশুদের ক্ষেত্রে ১০২ ফারেনহাইট হয়ে গেলে প্যারাসিটামল সিরাপ খাওয়াতে হবে।
=) শরীর, গা, হাত, পা হালকাভাবে পানি দিয়ে স্পঞ্জ করে দিতে পারেন।
=) ৩ দিনে অবস্থার উন্নতি না হলে এন্টিবায়োটিক নেয়া যেতে পারে, তবে তা ডাক্তারের পরামর্শ মতো।
=) জ্বর হঠাৎ করে ১০৬ হয়ে গেলে তা নামানো কঠিন, কিংবা জ্বরের কারণে বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই বড়দের ক্ষেত্রে অ্যাডাল্ট সাপোজিটরি ও শিশুদের ক্ষেত্রে ক্লোফেনাক সাপোজিটরি ব্যবহার করা ভালো।
=) শরীরে পানির চাহিদা বাড়াতে হবে।
=) ভিটামিন সিযুক্ত খাবার খাওয়াতে হবে।
=) প্রয়োজন মতো ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

তথ্য-
ড. তাবাসসুম রুমায়লা,
কনসালটেন্ট
বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ