ফিজিওথেরাপি নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি

0

স্বাস্থ্যখাতে চিকিৎসকসহ অন্যান্য পেশাজীবীদের মতো সম্মান নিয়ে যাতে ফিজিওথেরাপিস্টরা কাজ করতে পারেন, সে জন্য ফিজিওথেরাপি রেগুলেটরি বডি, কাউন্সিল গঠন এবং নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।

‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত পুনর্বাসন চিকিৎসা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শুভেচ্ছা দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল এসব কথা বলেন।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে দিনব্যাপী সম্মেলন চলছে। বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) উদ্যোগে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এতে মূল প্রবন্ধ উত্থাপন করেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তিনি বলেন, অটিস্টিক শিশুদের পারিবারিক পরিবেশে দেখভাল করতে হবে। শুধু ফিজিওথেরাপিস্ট, হাসপাতাল ও ডাক্তারের হাতে ছেড়ে দিলে হবে না।

‘অনেক ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিস্ট না হয়েও প্রেসক্রিপশনে ফিজিওথেরাপি প্র্যাকটিস করছেন বলে প্রতীয়মান হয়। এ বিষয়ে অনেকে ফিজিওথেরাপি সম্পর্কে ভুল ধারণা নিচ্ছেন।’

অনুষ্ঠানে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয় সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে। ছবি: জিএম মুজিবুরসায়মা ওয়াজেদ বলেন, এ বিষয়ে কোনো নীতিমালা না থাকার কারণে ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়ে সাধারণ মানুষের ধারণা নাই। ফলে মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। একটা কাউন্সিল বা নীতিমালা হলে সাধারণ মানুষ সঠিক চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত সুস্থ হবেন এবং নিজ কর্মক্ষেত্রে ফিরতে পারবেন। পাশাপাশি দেশও আর্থিকভাবে উন্নত হবে।’

এর পরিপ্রেক্ষিতে এ সংক্রান্ত নীতিমালা গঠন জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ফিজিওথেরাপি কাউন্সিল গঠনের কাজ এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। এজন্য একটা আইন তৈরির কাজও চলমান।

অবিলম্বে তা মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিশেষায়িত সব হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট আলাদা পদ সৃষ্টি করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিপিএ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।