ডাক্তার রোগীর ১০ জোকস

0

১.
ডাক্তারঃ রোগটা ঠিক নির্ণয় করতে অসুবিধা হচ্ছে। নেশাটেশার জন্যই এরকম মনে হচ্ছে।
রোগীঃ ঠিক আছে ডাক্তার সাহেব। যখন ভালো থাকবেন, তখন না হয় আসব।

২.
রোগীঃ ডাক্তার সাহেব, আপনাকে দেখানোর পর থেকে তো বেশ ভালোই আছি। অসুবিধা শুধু একটাই। কোনো ঘাম ঝরছে না।
ডাক্তারঃ চিন্তা করবেন না, আমার বকেয়া বিলটা পেলেই সর্বাঙ্গে ঘাম ঝরবে।

৩.
একটা দুঃসংবাদ আছে, রহমান সাহেব। আপনার জলাতঙ্ক হয়েছে।
– আমাকে এক টুকরো কলম দিতে পারেন?
– উইল করবেন বুঝি?
– উঁহু, কাকে কাকে কামড়াতে চাই তার একটা লিস্ট বানাব।

৪.
ডাক্তারঃ লম্বা করে শ্বাস নিন এবং তিনবার নয় বলুন।
রোগীঃ (লম্বা করে শ্বাস নিয়ে) সাতাশ!

৫.
চিকিৎসকঃ আপনার দাঁত ভাঙল কী করে?
রোগীঃ আর বলবেন না, আমার বউয়ের বানানো রুটি গুলো এত শক্ত হয়…
চিকিৎসকঃ বউকে বলবেন, যেন একটু নরম করে রুটি বানায়।
রোগীঃ বলেছিলাম বলেই তো এই দশা!

৬.
ছেলেঃ বাবা, প্রতিদিন একটা আপেল খেলে নাকি ডাক্তার থেকে দূরে থাকা যায়?
বাবাঃ হুমম, যায় তো।
ছেলেঃ তাহলে একটা আপেল দাও তো।
বাবাঃ তুই না আপেল খেতে চাস না! আজ কী হলো হঠাৎ?
ছেলেঃ ডাক্তার সাহেবের গাড়ির জানালা ভেঙে ফেলেছি তো!

৭.
এক বৃদ্ধ ডাক্তারের কাছে গিয়ে বললেন, ‘ডাক্তার সাহেব, আমার শরীর খুব খারাপ!’ ডাক্তার তাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন। তারপর প্রেসক্রিপশন ধরিয়ে দিয়ে বললেন, ‘একটা সবুজ ক্যাপসুল আছে। সকালে উঠে সেটা এক মগ পানি দিয়ে গিলে ফেলবেন। হলুদ রঙের একটা আছে, সেটা খাবেন দুপুরের খাবারের পর। অবশ্যই সঙ্গে এক মগ পানি। আর লাল রঙের টাও এক মগ পানি দিয়ে খাবেন রাতের বেলায়।’ বৃদ্ধ জিজ্ঞেস করলেন, ‘কিন্তু আমার সমস্যা টা কী?’ ডাক্তার বললেন, ‘আপনি পানি কম খান।’

৮.
মুমূর্ষ এক রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন ডাক্তার। মুখ বিষণ্ন করে বললেন, ‘বলতে বাধ্য হচ্ছি, আপনার শরীরের অবস্থা খুব খারাপ! এমন কেউ আছেন, যিনি আপনাকে দেখতে আসতে পারেন?’
রোগীঃ অবশ্যই, আরেকজন ডাক্তার দেখতে পারেন।

৯.
ব্যক্তিঃ ডাক্তার, আমার ছেলে একটি চাবি গিলে ফেলেছে, তাই আমি আপনার কাছে নিয়ে এলাম।
ডাক্তারঃ আপনার ছেলে চাবিটি কখন গিলেছে?
ব্যক্তিঃ ১০ দিন আগে।
ডাক্তারঃ ১০ দিন আগে গিলেছে আর আপনি এতদিন পর নিয়ে এলেন?
ব্যক্তিঃ আসলে আমার একটা ডুপ্লিকেট চাবি ছিল। কিন্তু আজকে সেটাও হারিয়ে ফেলেছি।

১০.
ডাক্তারঃ ভাল সাস্থের জন্য প্রতিদিন ব্যয়াম আর খেলাধূলা কর।
ছেলেঃ স্যার, আমি প্রতিদিন ফুটবল, ক্রিকেট আর টেনিস খেলি।
ডাক্তারঃ তাই না কি? তা কতক্ষণ খেল?
ছেলেঃ ফোনের ব্যাটারি যতক্ষণ শেষ না হয় ততক্ষণ খেলি।