প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কিনলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

0

নিজস্ব প্রতিবেদক// স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কিনলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপনের আগে পুরানো যন্ত্র কেন নষ্ট হলো তা খতিয়ে দেখতে হবে। যন্ত্রপাতি ও অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে তা পরিচালনার জনবল নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি নীতিমালা সম্পূর্ণ মেনে যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট ২০১৫) দুপুরে গাজীপুরের কাশিমপুরের তেতুইবাড়িতে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মোমোরিয়াল কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজের কনফারেন্স রুমে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, কলেজ পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সচিব সৈয়দ মনজরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল রবিউল হোসাইন, বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস এর কন্সালট্যান্ট সার্জন জেনারেল মেজর জেনারেল ডাঃ এইচ আর হারুন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, এখন থেকে শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হাসপাতালে সকল রোগের বিষয়ে দেশের খ্যাতিমান অধ্যাপক চিকিৎসকরা রোগীদের সেবা দেবেন। গরীব দুঃখী মানুষের বিনামূল্যে সেবাদানের ক্ষেত্রে এই বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ স্বাস্থ্য সেবায় জাতীয়ভাবে বিশেষ অবদান রাখবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহেনার উদ্যোগে এ হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর এর মধ্য দিয়েই এ অঞ্চলের মানুষ বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের চিকিৎসা সেবা নিতে পারবেন।

২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর মালয়েশিয়ার প্রানমন্ত্রী দাতোসিরি মোহাম্মদ নজিব বিন তুন আবদুল রাজাক, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা যৌথভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

মালয়েশিয়ার সেবা সংস্থা কামপুলান পেরুতান জহর (কেপিজে) এই হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

*